গুণীজন বলেন- ভোগে নয়, ত্যাগের প্রকৃত সুখ। আমি বলি- ভোগেও সুখ, ত্যাগেও সুখ। চারিদিকে শুধু সুখ আর সুখ। পরসমাচার, আমি এখন যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলব তা শুধুমাত্র আমার অফিসের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। তাই এটাকে কেন্দ্র করে কেউ হাসবেন না। আসুন তাহলে শুরু করা যাক. . .

১. বাথরুমের দরজ
বাথরুমে ঢোকার দরজাটি লাগানো বেশ কষ্টের। খুব জোরে টান দিয়ে এরপর লাগাতে হয়। অনেকসময় এতো জোর গায়ে থাকে না। এবং বের হবার সময়ও খুলতে গাঁয়ের পর্যাপ্ত জোর খরচ করতে হয়।

২. হাই কমোড ফ্ল্যাশ
আমাদের হাই কমোডের ফ্ল্যাশটি পেছন দিয়ে অনেকটা লিক। ফ্ল্যাশ করলে পানি কমোডের ভেতরে না যেয়ে পেছন দিক দিয়ে বেরিয়ে পরে এবং এর স্রোত পদ্মার স্রোতের তুলনায় কোন অংশে কম নয়। সেই পানি পুরো বাথরুমের ফ্লোরে ভেসে যায়। পরিবেশ তখন খুব করুন হয়ে যায়। আর যতটুকু পানি কমোডের ভেতরে যায় সেই পানির কিছু অংশ আন্দোলিত হয়ে এগিক ওদিক ছিটে-ফিটে আসে। সর্বোপরি খুব-ই বাজে অবস্থা। আমরা টিম মেম্বাররা ফ্ল্যাশ করি বাথরুম থেকে এক পা বাহিরে রেখে এবং ফ্ল্যাশ করেই ভোঁ দৌড়ে বাহিরে বেরিয়ে আসি। যদিও হাস্যকর পরিবেশ, তবে ঘটনাটি হৃদয়বিদারক।

৩. টিনের চালে ফুটা
বৃষ্টি হলে টিনের চাল বেয়ে পানি পড়ে। অন্য সব জায়গা দিয়ে পানি পড়লে কোন সমস্যা নেই, শুধু সমস্যা হচ্ছে কমোডের ঠিক উপর বরাবর কিছু ফুটা আছে। বাথরুম করতে বসলে সেই ফুটাগুলো দিয়ে মাথায়, পায়ে, গায়ে পানি টুপটুপ করে পড়ে। খুব-ই রোম্যান্টিক পরিবেশ, তবে আমরা চাচ্ছি পরিবেশটি রোম্যান্টিক না রাখা হোক।


ইতি
অফিসের একজন বাধ্যগত কর্মচারী
পুরো নাম- শাহ্‌ মোহাম্মাদ ফায়সাল জাফরী ইবনে শাহ্‌ মোহাম্মাদ ওয়ালীউল্লাহ ফারুক ইবনে মোহাম্মাদ মাতাবুর রহমান ফকির ইবনে মোহাম্মাদ এবাদুর রহমান ফকির ইবনে শাহ্‌ মোহাম্মদ ওহাদ বক্স।

নামের শেষে বাক্স আছে। অতএব আমি সুরক্ষিত।

Share with